মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

ভাঙ্গুড়া্ উপজেলায় বিআরডিবি’কার্যক্রমের চিত্র

প্রকল্প/কর্মসূচিঃ মূলকর্মসূচি (আর্বতক ও নিজস্ব), সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি (সদাবিক),দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে পুষ্টি সমৃদ্ধ উচ্চমূল্যের অপ্রধান শস্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মসূচী, পল্লী প্রগতি প্রকল্প ও  বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের আত্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাঃ ভাঙ্গুড়া্ উপজেলায় বিআরডিবি’র প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অত্র উপজেলা থেকে উন্নয়নমূলক  কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র মানুষগুলোকে সংগঠিত করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়। সেই ঋণ নিয়ে তারা প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবহার করে স্বাবলম্বী হতে থাকে। এ পযর্ন্ত অত্র উপজেলায় 704  জন সমবায়ী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং সাবলম্বী হয়েছেন।

প্রকল্প বাস্তবায়নে এলাকা নির্বাচনঃ প্রাথমিক ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে এলাকা  নির্বাচন করা একটি কঠিন কাজ কারন উপজেলার সামগ্রীক উন্নয়নের প্রয়োজন সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হয়। নদী ভাঙ্গন ও ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সমিতি/দল গঠন করা হয়েছে। নদী এ দেশের প্রায় উপজেলার পাশ দিয়ে কোন না কোন নদী বয়ে চলেছে। তেমনি ভাঙ্গুড়া্ উপজেলার পাশ দিয়ে  বড়াল নদী ও অন্যাণ্য নদী রয়েছে। 06(ছয়)টি ইউনিয়নে বিআরডিবি’র কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সমিতি গঠনঃ ভাঙ্গুড়া্ উপজেলায় বিআরডিবি’র কার্যক্রম শুরু থেকে ২০১৯ সাল পযর্ন্ত 221 টি সমিতি/দল গঠন করা হয়েছে।

ঋণ বিতরণ আদায়ের পরিমানঃ বিআরডিবি সরকারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারী  প্রতিষ্ঠান সরকারের নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হয় । সরকারী এ প্রতিষ্ঠান পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখে চলছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষগুলোকে একত্রিত করে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের নীতির সাথে সামঞ্জ্যরেখে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের  ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে । চলতি সেপ্টেম্বর/২০১৯ সাল পযর্ন্ত ভাঙ্গুড়া্ উপজেলায়  993.84 লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং আদায়ের পরিমান 883.91 লক্ষ টাকা । দিন দিন চলমান ঋণ কর্যক্রম জীবনমান উন্নয়নের সাথে সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

পুঁজিগঠনঃ বিআরডিবি’র কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য সমবায়ীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা। অত্র উপজেলায়  গঠিত সমিতির সমবায়ীদের পুঁজি; শেয়ার এর পরিমান  ১১.৫1 লক্ষ টাকা এবং সঞ্চয়ের পরিমান 28.12 লক্ষ টাকা।

সমবায়ীদের ঋণের সিলিং বৃদ্ধিঃ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) সত্তর দশকে সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচী ( আইআরডিপি) নামে চলমান কার্যক্রমের সফলতা বিবেচনা করে ১৯৮২ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইআরডিপিকে বিআরডিবিতে রুপান্তর করা হয়। শুরু থেকেই এ প্রতিষ্ঠান সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছ। সকল প্রকল্পে ঋণ কার্যক্রম ছিল এখনও আছে। শুরুতে ঋণের সিলিং এর পরিমান ছিল সর্বনিম্ন ২০০০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১০০০০ হাজার টাকা সময়ের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে প্রাথমিকভাবে ঋণের সিলিং সর্বনিম্ন ১৫০০০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫০০০০ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ চলমান রয়েছে। সমিতির সকল সদস্যদের টাকা পরিশোধ করলে পরবর্তীতে ঋণ গ্রহনের ক্ষেত্রে ২০% বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

মাঠ পরির্দশন/তদারকিঃ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) গ্রামের দরিদ্র, বৃত্তহীন জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে তাদের জীবন-মান উন্নয়নের জন্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সকল মানব সংগঠককে বিভিন্ন নির্দেশনা ও সঠিকভাবে কাজের মূল্যায়নে পরির্দশন ও তদারকি করা আবশ্যিক।

উঠান বৈঠকঃ বিআরডিবি’র সকল কার্যক্রমের মধ্যে উঠান বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র সহজ সরল মানুষগুলোকে একত্রিত করে বা সংগঠিত করে বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা, পরার্মশ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা করা হয় এবং জীবনমান উন্নয়নের সিড়িতে উঠতে বিআরডিবি নিস্বার্থভাবে পাশে থেকেছে।

বৃক্ষরোপনঃ বিআরডিবি’র বৃক্ষরোপ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। প্রতি বছর সমবায়ীদে মাঝে বিভিন্ন জাতের চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter